সাবেক ইউপি সদস্য ও যুবলীগ নেতা হাদিউজ্জামান চিমার বিরুদ্ধে যুবককে প্রাণনাশের হুমকি

সাবেক ইউপি সদস্য ও যুবলীগ নেতা হাদিউজ্জামান চিমার বিরুদ্ধে যুবককে প্রাণনাশের হুমকি

যশোরে যুবলীগ নেতা ও সাবেক ইউপি মেম্বার হাদিউজ্জান চিমা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে শরীফ আর আমিন ওরেফে শুভ নামে এক ব্যক্তিকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অন্তত ২০ বছর আগে উপশহর এলাকার হাউজিং এর জমি জবর দখল করে রেখেছিলেন হাদীজ্জামান চীমা, তার বোনসহ বেশ কয়েকজন। সম্প্রতি গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ওই জমি উচ্ছেদের পর। শরীফ আল মামুনকে প্রকাশ্যে হুমকি দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় তিনি কোতোয়ালী থানায় চারজনের নাম উল্লেখ করে একটি জিডি করেছেন।

অভিযুক্তরা করেন,উপশহর ইউনিয়নের তিন নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন যুবলীগের সদর উপজেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাদিউজ্জামান চিমা, তার বোন সুমাইয়া পুতুল, পাগলাদাহ গ্রামের মোয়াজ্জেমের ছেলে রাশেদ এবং শহরের বারান্দীপাড়া মোল্লাপাড়া এলাকার পাপ্পু।

শহরতলীর বিরামপুর এলাকার ফেরদৌস হোসেনের ছেলে শরীফ আল আমিন অভিযোগ করেছেন, তার সঙ্গে সুমাইয়া পুতুল (৩৫),হাদি উজ্জামান চিমা (৫০), রাশেদ (৩০) ও পাপ্পু (৩৬) সহ আরও কয়েকজনের জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জেরে অভিযুক্তরা তাকে বিভিন্ন সময় হুমকি দিয়ে আসছিলেন।

গত ১০ মে সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে বিরামপুর গাবতলা মোড় এলাকায় অবস্থানকালে চিমাসহ সকলে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। বর্তমানে তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জিডিতে উল্লেখ করেছেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের উচ্ছেদ অভিযানে উদ্ধার হওয়া জমিটি নিয়ে নানা ধরনের সংবাদ বেরিয়ে আসছে। উপশহরের জমিটির প্রকৃত মালিক শরিফ আল আমিন ওরফে শুভর পরিবার হলেও দীর্ঘ ২০ বছর ধরে এটি অবৈধভাবে দখল করে রেখেছিলেন হাদিউজ্জামান চিমা। যুবলীগ নেতা হওয়ার সুবাদে চিমা তার রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘ দুই দশক জমিটি জবরদখল করে রাখেন। তার ক্ষমতার দাপটে প্রকৃত মালিক বারবার চেষ্টা করেও জমিটি উদ্ধার করতে পারেননি।

সম্প্রতি দখল হওয়া ওই জমিটি গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ উদ্ধার করার পর প্রকৃত মালিক জমির মালিকানা দাবি করেন। এই নিয়ে চিমার সাথে তাদের তর্ক বিতর্ক হয়। একপর্যায়ে চিমা তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

Explore More Districts