‘থিয়েটারকে খুব মিস করছিল’
আতাউর রহমানের শেষ দিনগুলোতে তাঁর পাশে ছিলেন মেয়ে শর্মিষ্ঠা রহমান। মেয়ে বলেন, ‘শেষ কয়েক মাস তাঁর সাথে কাটানোর সৌভাগ্য হয়েছিল আমার। সে জন্য আমি ব্যাপারটা বুঝতে পেরেছি, সে থিয়েটারকে খুব মিস করছিল। গত কয়েক মাস ধরে কাজ করতে পারছিলেন না। সে জন্য আসলে আপনারা আমার থেকে বেটার বুঝবেন, কারণ আপনারা সবাই তার সহকর্মী বন্ধু।’
শর্মিষ্ঠা রহমান বলেন, ‘আমার খুব কষ্ট লাগছে যে সে আসলে দেখতেই পেল না যে কতজন তাকে ভালোবাসে। সে বোধ হয় একটা ভুল ধারণা নিয়ে গেল, মানুষ তাকে ভালোবাসে নাই। এই জায়গাটায় বড় একটা মনঃকষ্ট আমাদের পরিবার থেকে, আমার এবং আমার মায়ের। কারণ, আমরা প্রতিদিন এই কথাটা শুনতাম, কেউ কাছে আসে না, কেউ তাকে ভালোবাসে না। এটা খুবই মনে হচ্ছে। আর যারা তার বন্ধুরা আছেন, সমবয়সী, কাছাকাছি বয়সী, আমার খুব অনুরোধ থাকবে, আমাদের একজন একজনকে খুব প্রয়োজন। আমরা যদি একসাথে না থাকি, হাতে হাত না ধরি, তাহলে আমার বাবার মতো বড় লোনলি হয়ে চলে যেতে হবে।’
আতাউর রহমানকে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছিলেন মফিদুল হক, তারিক আনাম খান, খায়রুল আনাম শাকিল, খ ম হারুন, সারা যাকের, আশীষ খন্দকার, আজাদ আবুল কালাম, লাইসা আহমেদ লিসা, সামিনা লুৎফাসহ আরও অনেকে।
সংগঠনের মধ্যে শ্রদ্ধা জানিয়েছে ছায়ানট, উদীচী, কণ্ঠশীলন, আব্দুল্লাহ আল-মামুন থিয়েটার স্কুল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নাট্যকলা বিভাগ, ডিরেক্টর গিল্ডস, অভিনয়শিল্পী সংঘ, ঢাকা থিয়েটার, প্রাচ্যনাট, বটতলাসহ বেশ কয়েকটি সংগঠন।
