এক হাটের দর উঠেছে ১৪ কোটি টাকা, চার হাটে দরদাতা নেই

এক হাটের দর উঠেছে ১৪ কোটি টাকা, চার হাটে দরদাতা নেই

দুটিতে একটি করে দরপত্র, চারটিতে নেই

মস্তুল চেকপোস্ট–সংলগ্ন পশ্চিমপাড়ার খালি জায়গা ও ভাটুলিয়া সাহেব আলী মাদ্রাসা থেকে ১০ নম্বর সেক্টর রানাভোলা অ্যাভিনিউ-সংলগ্ন উত্তরা রানাভোলা স্লুইসগেট পর্যন্ত খালি জায়গা—এ দুই হাটের জন্য মাত্র একটি করে প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে দরপ্রস্তাব পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৯৩ লাখ ২২ হাজার টাকা মূল্যের মস্তুল হাটের জন্য বিল্লাল হোসেন নামের এক ব্যক্তি দর দিয়েছেন ৩ কোটি ৬০ হাজার টাকা।

তবে রানাভোলা হাটের জন্য দর দেওয়া আগ্রহী একমাত্র প্রতিষ্ঠানের কাছেও সরকার নির্ধারিত দর পাওয়া যায়নি। ওই হাটের সরকার নির্ধারিত দর ৮৮ লাখ ২০ হাজার ৭৫০ টাকা। একমাত্র দরদাতা মেসার্স লামিয়া এন্টারপ্রাইজের নুর আলম দর দিয়েছেন ৮৮ লাখ টাকা।

খিলক্ষেত বাজার–সংলগ্ন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচের খালি জায়গা (সরকারি দর ছিল ১ কোটি ৫১ লাখ), মেরুল বাড্ডা কাঁচাবাজার-সংলগ্ন খালি জায়গা (১৪ লাখ), মোহাম্মদপুরের বছিলায় ৪০ ফুট রাস্তাসংলগ্ন খালি জায়গা (১ কোটি ৯৬ লাখ ২০ হাজার) এবং ভাটারা সুতিভোলা খাল অস্থায়ী হাটের (৩ কোটি ১২ লাখ ৭৬ হাজার টাকা) জন্য কোনো দরপ্রস্তাব জমা পড়েনি।

ঢাকা উত্তর সিটির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মোহাম্মদ শওকত ওসমানের নেতৃত্বে দরপত্র খোলা হয়। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি দরদাতাদের দেওয়া পে-অর্ডারসহ যাবতীয় নথিপত্র যাচাই-বাছাই করবেন। কোনো হাটের দরপত্র নিয়ে অংশগ্রহণকারীদের কোনো অভিযোগ থাকলে লিখিত দিতে হবে। নিয়ম অনুযায়ী, যেসব হাটের জন্য কোনো দর পাওয়া যায়নি, সেগুলোর জন্য পুনরায় দরপত্র আহ্বান করা হবে।

Explore More Districts