মৃত্যুবার্ষিকীতে কর্মসূচি
নুসরাতের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। পরিবারের সদস্য ও স্বজনেরা নুসরাতের কবর জিয়ারত করবেন।
এর আগে ২০২০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর তাঁর মৃত্যুদিনে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানিয়েছিল। তবে এবার এখনো সে ধরনের কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। পরিবারের আশা, স্মরণ নয়—দ্রুত বিচারই হবে নুসরাতের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা।
ফেনীর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) মেজবাহ উদ্দিন খাঁন বলেন, চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার রায় দ্রুত কার্যকর হলে সমাজে অপরাধপ্রবণতা কমে। এতে অপরাধীরা ভীত হয় এবং নতুন করে অপরাধে জড়াতে নিরুৎসাহিত হয়।
পিপি মেজবাহ উদ্দিন খাঁন বলেন, রায় ঘোষণার পর তা বছরের পর বছর ঝুলে থাকলে অপরাধীদের মধ্যে উল্টো উৎসাহ তৈরি হতে পারে। তাই নুসরাত হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্সের শুনানি দ্রুত শেষ করে রায় কার্যকর করা জরুরি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দ্রুত এ মামলার রায় কার্যকর হবে।


