মেসার্স তৌহিদ ফিলিং স্টেশনের হিসাবরক্ষক মো. ইমরান হোসেন অভিযোগ করেন, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে একই ব্যক্তি একাধিকবার তেল সংগ্রহ করছেন। ফলে প্রকৃত চাহিদা নিরূপণ করা যাচ্ছে না এবং সাধারণ ক্রেতারা বঞ্চিত হচ্ছেন।
তেল সরবরাহের সময় নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পাম্পের মালিকরা। মেসার্স মির্জাপুর ফিলিং স্টেশনের মালিক ফাহিমুল ইসলাম বলেন, চলতি মাসের ২৫ মার্চ সন্ধ্যায় এক লরি তেল আনলে মুহূর্তেই শত শত মোটরসাইকেল পাম্পে ভিড় করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কন্ট্রোল রুমে ফোন করা হলেও তারা দেরিতে পৌঁছায়। পরে স্থানীয় ব্যক্তিদের সহায়তায় পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। তবে সেদিন প্রায় ১৫ হাজার টাকার তেল বিক্রির হিসাব মেলেনি বলে দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে মেসার্স স্বাক্ষর ফিলিং স্টেশনের হিসাবরক্ষক আবু জাফর বলেন, তেলের কোনো প্রকৃত সংকট নেই। তবে অসাধু চক্রের মজুত এবং আশপাশের উপজেলা থেকে ক্রেতা আসার কারণে সাত দিনের তেল মাত্র তিন ঘণ্টায় শেষ হয়ে যাচ্ছে।

