দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে জাতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করেছে একাত্তরের বীর শহীদদের। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকারে দেশজুড়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হয় ৫৫তম স্বাধীনতা দিবস।
ভোরে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ-এ রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ সময় এক মিনিট নীরবতা পালন এবং তিন বাহিনীর পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করা হয়। পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন, শিক্ষার্থী ও সর্বস্তরের মানুষ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। দিনভর স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ মানুষের ঢলে মুখর হয়ে ওঠে।
এদিকে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা জানান প্রধানমন্ত্রী। দীর্ঘদিন পর আয়োজিত বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজে তিন বাহিনীর সমন্বিত অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য। রাষ্ট্রপতি সালাম গ্রহণ করেন এবং পরে বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
সরকারি আয়োজনে এবার প্রটোকল সীমিত রেখে যানবাহন ব্যবহারে সংযম দেখানো হয়। প্রধানমন্ত্রী প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সরকারি গাড়িতে স্মৃতিসৌধে যান, আর অন্যান্য ভিআইপিরা বাসে অংশ নেন—যা জ্বালানি সাশ্রয়ের একটি উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তবে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্যেও একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। স্মৃতিসৌধ এলাকায় জাতীয় পার্টি ও একটি ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে, যাতে কয়েকজন আহত হন।
সব মিলিয়ে, আবেগ, শ্রদ্ধা ও অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে জাতি আবারও স্মরণ করেছে স্বাধীনতার মহান অর্জন এবং শহীদদের আত্মত্যাগের ইতিহাস।



