সফিকুল ইসলাম আরও বলেন, তাঁর ছেলে মাদকের ব্যবসা নিয়ে লেখালেখি করায় এবং লাইভে এসে বিএনপির নেতার নাম বলায় তাঁরা খেপে যান। বিএনপির নেতা আবদুল আওয়ালসহ তাঁরা ছেলেকে হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন। কয়েক দিন আগে থানায় একটি জিডি করেছিলেন তাঁর স্ত্রী।
এ বিষয়ে জানতে প্যানেল চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে যোগযোগ করা হলেও মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতা আবদুল আওয়াল বলেন, ‘দ্বীন ইসলাম খারাপ প্রকৃতির লোক ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে কসবাসহ বিভিন্ন থানায় বহু মামলা রয়েছে। আমি এর সঙ্গে জড়িত নই। ষড়যন্ত্র করে একটি চক্র আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা এবং অপপ্রচার করছে।’
নিহত দ্বীন ইসলামের পরিবারের ওই জিডি তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন কসবা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফারুক হোসেন। তিনি বলেন, ১১ মার্চ নিহত ব্যক্তির মা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন। সেখানে জাহাঙ্গীর আলম, আবদুল আওয়ালসহ নিহত ব্যক্তির এক মামার নামও ছিল। সাধারণ ডায়েরিতে জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধের জেরে পরিবারের সদস্যদের হুমকির বিষয় উল্লেখ করা হয়েছিল। কিন্তু দ্বীন ইসলামকে হুমকি বা হত্যার হুমকি এমন কোনো তথ্য জিডিতে উল্লেখ ছিল না। তদন্তে নিহত ব্যক্তির মা হুমকির দিন-তারিখ ও সময় সম্পর্কে সঠিক কোনো তথ্য দিতে পারেননি। এর প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
