ছয় বছরেও শেষ হয়নি চার লেনের কাজ, ঢাকা-শরীয়তপুরে ভোগান্তির যাত্রা

ছয় বছরেও শেষ হয়নি চার লেনের কাজ, ঢাকা-শরীয়তপুরে ভোগান্তির যাত্রা

শরীয়তপুর সওজ সূত্রে জানা যায়, শরীয়তপুর জেলা শহর থেকে ঢাকায় যাতায়াতের জন্য সরাসরি কোনো সড়ক ছিল না। জেলার বাসিন্দাদের সহজে ঢাকায় যাতায়াতের জন্য পদ্মা সেতুর এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে একটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয় ২০২০ সালে। তখন জেলা শহর থেকে নাওডোবা যাতায়াতের ১৮ ফুট প্রশস্ত সড়কটিকে ৪ লেনে রূপান্তর করার জন্য ১ হাজার ৬৮২ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। ওই প্রকল্পে ২৭ কিলোমিটার সড়ক ৪ লেনের জন্য ১০৫ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ কাজ শুরু করে জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ শাখা।

সওজ সূত্রে জানা যায়, ২৭ কিলোমিটার সড়ক সম্প্রসারণ ও নির্মাণ প্রকল্পটিকে তিনটি গুচ্ছ প্রকল্পে (প্যাকেজে) ভাগ করা হয়। এর মধ্যে একটি প্যাকেজে জেলা শহর থেকে জাজিরা উপজেলা সদর পর্যন্ত সাড়ে ১৩ কিলোমিটার, আরেকটি প্যাকেজে জাজিরা টিঅ্যান্ডটি থেকে নাওডোবা পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার, অপর একটি প্যাকেজে দুটি সেতু ও সেতুর দেড় কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য ঠিকাদার নিযুক্ত করে সড়ক বিভাগ। সড়কটি নির্মাণের সময়সীমা ইতিমধ্যে এক দফা বৃদ্ধি করা হয়েছে। আগামী জুনে দ্বিতীয় দফার মেয়াদ শেষ হবে।

ওই তিনটি প্যাকেজের মধ্যে জেলা শহর থেকে জাজিরা পর্যন্ত যে প্যাকেজটি তার দুই কিলোমিটার এলাকার জমি অধিগ্রহণ এখনো শেষ করতে পারেনি জেলা প্রশাসন। সে কারণে ওই দুই কিলোমিটার অংশের কাজ শুরুই করা যায়নি। সেখানে খানাখন্দ আর ভাঙা সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। জাজিরার টিঅ্যান্ডটি থেকে নাওডোবা পর্যন্ত চার কিলোমিটার অংশের অধিগ্রহণ শেষ হয়নি। সেখানে জমি বুঝে না পেয়ে ঠিকাদার কাজ করছেন না। এ ছাড়া আরেক প্যাকেজের আওতায় কীর্তিনাশা নদীতে দুটি সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। তার মধ্যে জমি অধিগ্রহণ জটিলতায় কাজিরহাট সেতুটির নির্মাণকাজ এখনো শেষ হয়নি।

Explore More Districts