প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে সরাসরি কার্ডটা পেয়ে বেশি খুশি হয়েছেন জানিয়ে আকলিমা বলেন, ‘স্বপ্নেও ভাবি নাই যে কার্ড এইভাবে পাইমু। বাসায় সরকারি লোক আইসা, তথ্য নিয়া, বাসা দেইখা তারপর নাম নিছে।’
ফ্যামিলি কার্ডের জন্য কাউকে টাকাপয়সা দিতে হয়নি বলেও জানান এই নারী।
প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে কার্ড পাওয়া নারীদের আরেকজন হলেন কড়াইল বস্তির বাসিন্দা বাসনা। তিনিও গৃহিণী, স্বামী বিল্লাল ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালান। এই দম্পতির এক ছেলে ও এক মেয়ে। ছেলে দশম শ্রেণিতে ও মেয়ে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ছে। সংসার চালাতে কষ্ট হলেও সন্তানদের পড়াশোনা থামাতে চান না বাসনা। ফ্যামিলি কার্ড তাঁর সংসারে ‘নতুন ভরসা’ বলে জানান এই নারী।
কড়াইল বস্তিতে গতকাল দুপুরে কথা হয় বাসনার সঙ্গে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘অনেক খুশি হয়েছি। টাকাগুলো যদি মাসে মাসে পাই, তাহলে ছেলেমেয়ের পড়াশোনার পেছনে খরচ করব। খাতা-কলম, বই কিনে দেব। আর পরিবারের প্রয়োজনে কিছু খরচ করব।’
