অভিযুক্ত ওই দুই নেতা হলেন—জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি ও জকসুর জিএস আব্দুল আলিম আরিফ এবং শাখা শিবিরের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জকসুর শিক্ষা সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল।
বিবৃতিতে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ওই চার প্রতিনিধি বলেন, ‘সাংবাদিকদের ওপর হামলার মতো ন্যক্কারজনক ঘটনাকে ন্যায্যতা দিতে শিবিরের এই দুই নেতা জকসুর ব্যানার ব্যবহার করে মিথ্যা ও বানোয়াট বিবৃতি দিয়েছেন এবং সংবাদ সম্মেলন করেছেন, যা সম্পর্কে জকসুর অন্য প্রতিনিধিরা অবগত নন। জকসুকে প্রশ্নবিদ্ধ করার এই অপচেষ্টার মাধ্যমে তাঁরা পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন।’
বিবৃতিতে তাঁরা অনতিবিলম্বে অভিযুক্তদের পদ থেকে অব্যাহতি দিতে জকসুর সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের প্রতি আহ্বান জানান।
জকসুর এই চার নেতা আরও বলেন, ‘জকসু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষার্থীর প্রতিনিধিত্ব করে, কোনো রাজনৈতিক দলের লেজুড়বৃত্তিক ছাত্রসংগঠনের স্বার্থে এটি কাজ করে না। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে সংঘটিত এ ধরনের ঘৃণ্য কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’

