কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী সাদ আল-কাবি ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে জানান, ইরানের ড্রোন হামলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে যুদ্ধ এখনই থেমে গেলেও কাতার থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানি আবার শুরু করতে ‘কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস’ সময় লেগে যেতে পারে। বিশ্বের মোট এলএনজি রপ্তানির প্রায় ২০ শতাংশই কাতার সরবরাহ করে থাকে।
কাতারের জ্বালানিমন্ত্রীর পূর্বাভাস এই উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তাঁর মতে, যুদ্ধ যদি অব্যাহত থাকে, তবে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চলের সব রপ্তানিকারক দেশ জ্বালানি উৎপাদন বন্ধ করে দিতে পারে। এতে তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ১৫০ ডলারে উঠে যেতে পারে।


