কারিগরি ও পলিটেকনিক শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও চীন যৌথভাবে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলো পরিদর্শন করে কারিকুলাম আধুনিকায়ন, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি ও শিল্প খাতের চাহিদাভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করবে। শিল্প খাতের প্রয়োজন অনুযায়ী কোর্স ও প্রশিক্ষণের কাঠামো পুনর্বিন্যাস করা হবে।
চীনা ভাষা শিক্ষার প্রসারে প্রাথমিকভাবে ৩০০টি স্মার্ট শ্রেণিকক্ষ স্থাপনের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রতিটি স্কুলে দুটি করে শ্রেণিকক্ষ স্থাপনের মাধ্যমে ১৫০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই সুবিধা চালুর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি ৯টি ব্রডকাস্টিং সেন্টার স্থাপন ও সংশ্লিষ্ট ল্যাবগুলোয় আধুনিক সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার সরবরাহের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে একটি পাইলট প্রকল্প চালু রয়েছে।
চীনা পক্ষ জানায়, তারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে, যেমন দক্ষিণ আফ্রিকা, কম্বোডিয়া ও লাওসে চীনা ভাষা ও কারিগরি শিক্ষা সম্প্রসারণে সফলভাবে কাজ করছে।

