
ঢাকা, ১৯ ফেব্রুয়ারি – বিশ্বজুড়ে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা সাধারণত খেজুর খেয়ে রোজা ভাঙেন বা ইফতার শুরু করেন। এটি কেবল একটি দীর্ঘদিনের ধর্মীয় রীতি নয়, এর পেছনে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যগত সুফল। সারা দিন পানাহার থেকে বিরত থাকার পর মানবদেহে তাৎক্ষণিক কর্মশক্তির প্রয়োজন হয়, যা খেজুর খুব অল্প সময়েই জোগান দিতে সক্ষম।
পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, যা হজমশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। ইফতারে অনেকেই ভাজাপোড়া ও তেলচর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণ করেন, খেজুর এসব খাবার সহজে হজম করতে সাহায্য করে। এছাড়া খেজুরে বিদ্যমান ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন ও বিভিন্ন ভিটামিন শরীরকে সচল রাখতে এবং ক্লান্তি দূর করতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। এর ক্ষারীয় লবণ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং রক্তে শর্করার মাত্রাও ভারসাম্যপূর্ণ রাখে।
তবে পুষ্টিবিদরা সতর্ক করেছেন যে, খেজুর সহজপাচ্য হলেও এটি অতিরিক্ত খাওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে যাদের ডায়াবেটিস বা কিডনি সংক্রান্ত জটিলতা রয়েছে, তাদের অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খেজুর খাওয়ার পরিমাণ নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
এস এম/ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬




