আমাদের নিতম্বের পেশিগুলো হাঁটা, দাঁড়ানো, দৌড়ানো এবং শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু যখন আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকি, তখন এই পেশিগুলো প্রায় নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে।
ফলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে। একই সঙ্গে কোমরের সামনের দিকের পেশি শক্ত ও ছোট হয়ে যায়, যা শরীরের ভঙ্গি নষ্ট করে এবং নিতম্বের পেশির ওপর চাপ আরও কমিয়ে দেয়। এই অসম ভারসাম্য থেকেই ডেড বাট সিনড্রোমের শুরু।

