
মৌলভীবাজার–৩ (সদর–রাজনগর) আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এম. নাসের রহমানের ধানের শীষের শেষ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শহরের সরকারি স্কুল মাঠে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের আয়োজনে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণার শেষ মিছিল হয়। এতে হাজারও মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় নাসের রহমান বলেন, “আমাদের প্রতিদ্বন্ধী দল নির্বাচন চুরি করার জন্য টাকা-পয়সা খরচ করে নানা ধরনের কূটকৌশল করছে। আগামী দুইদিন আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে। তারা সেন্টারে সেন্টারে গন্ডগোল করার চেষ্টা করতে পারে। অত্যন্ত শক্তহাতে এদেরকে দমন করতে হবে। ভোটের দিন ভোট কেন্দ্রগুলোকে রাত থেকেই পাহারায় রাখতে হবে।”
তিনি ভোটারদের আহ্বান জানিয়ে বলেন,“প্রত্যেকের বাসা ও বাড়ির সবাইকে নাসের রহমান হয়ে ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য অনুরোধ জানাই। মৌলভীবাজার-রাজনগর বাসীর উন্নয়নের প্রতীক ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিপুল ভোটে বিজয়ী করুন।”
বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে গভমেন্ট স্কুল মাঠে শত শত নেতাকর্মী খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে জড়ো হন। ধানের শীষের প্রচারণা গাড়ির সুরেলা গান, ঢাক-ঢোল ও বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে নেচে গেয়ে হাজার হাজার ছাত্র-তরুণ, নারী-পুরুষ হাতে ধানের শীষ ও প্ল্যাকার্ড হাতে মিছিলে অংশ নেন।
মৌলভীবাজার সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মুজিবুর রহমান মজনুর সভাপতিত্বে মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. ফয়জুল করিম ময়ূন, সদস্যসচিব আব্দুর রহিম রিপন এবং জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আলহাজ্ব মো. আব্দুল মুকিত, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বকসী মিসবাউর রহমান, মো. হেলু মিয়া, মো. ফখরুল ইসলাম, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব অদুদ আলম, পৌর বিএনপির সভাপতি অলিউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার রহমান, জেলা যুবদলের সভাপতি জাকির হোসেন উজ্জ্বল, সাধারণ সম্পাদক এম এ মোহিত, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. রুবেল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক আকিদুর রহমান সোহান, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রসিক, সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক সেলিম, জেলা মহিলা দলের সভাপতি ডা. দিলশাদ পারভীন ও সাংগঠনিক সম্পাদক শ্যামলী সূত্রধরসহ জেলা, উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন বিএনপি এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সরকারি স্কুল মাঠ থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি চৌমুহনী হয়ে এম সাইফুর রহমান সড়ক, সিলেট সড়ক, শাহ মোস্তফা সড়ক ও আদালত সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাব মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।

