
সৌদি আরব, ৭ ফেব্রুয়ারি – সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় ২০২৬ সালের হজের জন্য ভিসা ইস্যু এবং হজযাত্রীদের আগমনের তারিখ ঘোষণা করেছে। গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, হজযাত্রীদের সেবা ও কার্যক্রম সহজ করতে এবং প্রস্তুতি জোরদার করতে আগেভাগেই এই সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের হজের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে অনেক আগে থেকেই, যা মূলত ২০২৫ সালের ৮ জুন (১৪৪৬ হিজরি সনের ১২ জিলহজ) থেকে চলমান। ওই সময়েই বিশ্বজুড়ে হজের কার্যক্রম তদারককারী দপ্তরগুলোর কাছে প্রাথমিক পরিকল্পনার নথিপত্র পাঠানো হয়। সফর মাসের শুরুতে ‘নুসুক মাসার’ নামক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পবিত্র স্থানগুলোর বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে, যা সংশ্লিষ্টদের পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের জন্য পর্যাপ্ত সময় নিশ্চিত করবে।
২০২৬ সালের শুরুর দিকে মক্কা ও মদিনায় আবাসন, পরিবহন ও অন্যান্য সেবা সংক্রান্ত চুক্তি সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভিসা প্রদান কার্যক্রম শুরু হবে। মার্চ মাসে ভিসা চূড়ান্তকরণ এবং হজযাত্রীদের আগমনের প্রস্তুতির তথ্য জমা দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১৮ এপ্রিল (১৪৪৭ হিজরির ১ জিলকদ) থেকে প্রথম দফার হজযাত্রীরা সৌদি আরবে পৌঁছাতে শুরু করবেন। এর মধ্য দিয়েই হজ মৌসুমের চূড়ান্ত কার্যক্রম শুরু হবে।
মন্ত্রণালয় জোর দিয়ে জানিয়েছে, ঘোষিত সময়সূচি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে যাতে হজযাত্রীদের আগমনের আগেই সকল অবকাঠামো ও সেবা সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকে। গালফ নিউজের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৭ লাখ হজযাত্রী নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে নিজ দেশ থেকে সরাসরি প্যাকেজ বুক করেছেন প্রায় ৩০ হাজার জন। এছাড়া আন্তর্জাতিক হজযাত্রীদের জন্য পবিত্র স্থানগুলোতে ৪৮৫টি ক্যাম্প বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং ৭৩টি হজ বিষয়ক দপ্তর তাদের প্রয়োজনীয় চুক্তিগত কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে।
এস এম/ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬




