সংস্কারের উদ্যোগে বাধা ‘ডিপ স্টেট’

সংস্কারের উদ্যোগে বাধা ‘ডিপ স্টেট’

গণ-অভ্যুত্থানপরবর্তী সময়ে দেশে ভয়ংকর একধরনের গণপিটুনি ও সংঘবদ্ধ সহিংসতার প্রবণতা দেখা গেছে। এতে জড়িয়ে পড়েছে নানা পক্ষ—স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিশোধপরায়ণ গোষ্ঠী, প্রভাবশালী ক্ষমতাকেন্দ্রের দালাল, উগ্র ইসলামপন্থী নেটওয়ার্ক, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানি পাওয়া জনতা, সুযোগসন্ধানী লুটেরা এবং তথাকথিত স্বেচ্ছা বিচারকারীরা। এসব সহিংসতা কোনো কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ছাড়াই বিভিন্ন খণ্ডিত গোষ্ঠীর মাধ্যমে সংঘটিত হচ্ছে, যা আবেগের সংক্রমণ, নৈতিক ক্ষোভ এবং নতুন করে অর্জিত ক্ষমতা প্রদর্শনের তাড়নায় পরিচালিত।

আইন ও সালিশ কেন্দ্র জানিয়েছে, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন ২৯৫ জন। এর মধ্যে শুধু ২০২৫ সালেই নিহত হয়েছেন ১৯৭ জন। অন্যদিকে বিআইজিডির জরিপে দেখা গেছে, ৮০ শতাংশ উত্তরদাতা গণপিটুনি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং ৬২ শতাংশ নারী নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা জানিয়েছেন।

জানতে চাইলে বিআইজিডির উপদেষ্টা মির্জা হাসান বলেন, প্রধান উপদেষ্টার পেছনে পুরো ছাত্রসমাজ ছিল, জনসমর্থন ছিল। তিনি চাইলে ব্যাপক সংস্কারের পক্ষে একটি অবস্থান নিতে পারতেন। মির্জা হাসান বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত যে যেদিক দিয়ে চাপ দিয়েছে, তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) সেদিকে চলে গেছেন। তিনি ঘোষণা দিচ্ছেন এটা করব, কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেখা গেল সেটা করলেন না। সমঝোতা করে ফেললেন বিএনপির সঙ্গে, ছাত্রদের সঙ্গে বা আমলাতন্ত্রের সঙ্গে।’

Explore More Districts