ওই তরুণীর বরাত দিয়ে এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শরীফ জানান, গতকাল বুধবার রাত পৌনে ১২টার দিকে সাভারের রেডিও কলোনি এলাকা থেকে আশুলিয়ায় যাওয়ার জন্য সাভার পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন ওই তরুণী। এ সময় বাসে আরও দুজন যাত্রী ছিলেন। কিছু দূর যাওয়ার পর ওই দুই যাত্রী বাস থেকে নেমে যান। এ সময় ওই তরুণীকে একা পেয়ে চালক আলতাফ ও সহযোগী সাগর ধর্ষণ করেন। এ সময় ধর্ষণের দৃশ্য মুঠোফোনে ধারণ করা হয়। পরে সাভার, আশুলিয়া ও চন্দ্রা এলাকায় সারা রাত বিভিন্ন সড়কে বাস নিয়ে ঘোরাঘুরি করেন। চিৎকার করলে ধর্ষণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় এবং তরুণীর মুঠোফোন ও কানের দুলও ছিনিয়ে নেওয়া হয়। বাসটি আজ দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের করটিয়া আন্ডারপাস এলাকায় থামে। এ সময় হাইওয়ে পুলিশের টহল দল বাসটির কাছে গেলে তরুণী পুলিশের কাছে ধর্ষণের বিষয়টি বলেন। তখন তরুণীকে উদ্ধারের পাশাপাশি চালক ও দুই সহযোগীকে আটক করে টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করে হাইওয়ে পুলিশ। পাশাপাশি বাসটিও জব্দ করা হয়।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রহুল আমিন সন্ধ্যায় প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। ওই তরুণী নিজে বাদী হয়ে মামলা করবেন। এতে আটক বাসচালক ও তাঁর দুই সহযোগীকে আসামি করা হচ্ছে।


