ট্রাম্প কী চাইছেন, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে বিভিন্ন প্রতিবেদন বলছে, ট্রাম্প হয়তো ইরানের বর্তমান সরকারের কোনো অংশের সঙ্গে সমঝোতার পথ খুঁজছেন। ওমানের কর্মকর্তারা সপ্তাহান্তে তেহরান সফরে যাবেন বলে জানা গেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতায় সাধারণত ওমান ভূমিকা রাখে।
ইরানের বর্তমান প্রশাসনের মধ্যে এরই মধ্যে কিছুটা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও তা দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সিদ্ধান্তকে তেমন একটি প্রভাবিত করতে পারছে না। তিনি এখনো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ অব্যাহত রাখার পক্ষে। তাঁর কাছে এটি জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রতীক।
ট্রাম্প কেন রেজা পাহলভিকে পূর্ণমাত্রায় সমর্থন দিতে রাজি নন, সেটার পেছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে। এর একটি হলো ট্রাম্প তাঁকে সমর্থন দিলে ইরানে তাঁর প্রত্যাবর্তনের আহ্বান নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা হতে পারে।
পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করতে গিয়ে গার্ডিয়ান–এর কাছে ইরানের এক নাগরিক বলেন, ‘আজকের স্লোগানে যা শোনা যাচ্ছে, তা রাজতন্ত্রের ফেরার আহ্বান নয়। বরং এটি প্রাণঘাতী বাস্তবতা থেকে বাঁচার উপায়। যে সমাজে সমস্যা সমাধানের কোনো পথ খোলা নেই, তাতে পেছনে (রাজতন্ত্র) ফিরে যাওয়ার কথা ওঠে কোনো আগ্রহ থেকে নয়, বরং বাধ্য হয়েই তাঁরা এমনটি করেন। এই পশ্চাদমুখী যাত্রা কোনো বিকল্প নয়। এটি ক্লান্ত রাজনৈতিক ব্যবস্থার হতবিহ্বল প্রতিক্রিয়া, যা আর কোনো নির্দেশনা মেনে চলার অবস্থায় থাকে না।’


