মক্কার মুশরিকদের এই ধৃষ্টতাপূর্ণ দাবির জবাবে আল্লাহ তাআলা তিনটি অকাট্য যুক্তি পেশ করেন।
১. ফেরেশতা অবতরণের নীতিমালা: আল্লাহ বলেন, ‘আমি ফেরেশতাদের একমাত্র সত্য ও যৌক্তিক কারণেই অবতীর্ণ করি।’ (সুরা হিজর, আয়াত: ৮)
অর্থাৎ, মানুষের তামাশা দেখার জন্য ফেরেশতা নাজিল করা আল্লাহর সুন্নত বা নিয়ম নয়।
২. অবিলম্ব আজাবের হুঁশিয়ারি: আল্লাহ আরও বলেন, ফেরেশতারা যদি তাদের সামনে চাক্ষুষ হাজির হতো এবং তারা এরপরও ইমান না আনত, তবে তাদের আর কোনো সময় দেওয়া হতো না; বরং তাৎক্ষণিক ধ্বংস করে দেওয়া হতো। আল্লাহ তাদের অবকাশ দিয়েছিলেন বলেই তখন ফেরেশতা পাঠাননি।
এই বিষয়টি সুরা আনআমেও বর্ণিত হয়েছে, ‘তারা বলে, তার ওপর কোনো ফেরেশতা অবতীর্ণ হয় না কেন? যদি আমি ফেরেশতা অবতীর্ণ করতাম, তবে ফয়সালা হয়েই যেত, এরপর তাদের আর কোনো অবকাশ দেওয়া হতো না।’ (সুরা আনআম, আয়াত: ৮)
৩. কোরআন সংরক্ষণের চিরন্তন ঘোষণা: কাফেরদের উপহাসের চূড়ান্ত জবাব হিসেবে আল্লাহ সেই যুগান্তকারী ঘোষণা দিলেন, যা মুসলিম উম্মাহর জন্য সবচেয়ে বড় আস্থার জায়গা।


