আসামিপক্ষের আইনজীবী নোমান হোসাইন বলেন, সুমাইয়া তাহমিদ ৮ ডিসেম্বর হাইকোর্ট থেকে একটা মামলায় জামিন পাওয়ার পর ১১ ডিসেম্বর এই মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে। আট মাস তিনি কারাগারে ছিলেন। তদন্ত কর্মকর্তা যখন দেখলেন, সুমাইয়া তাহমিদের বিরুদ্ধে আর কোনো অভিযোগ নেই, মামলা নেই, তিনি মুক্ত হচ্ছেন, তখনই তাঁকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আইনজীবী নোমান হোসাইন আরও বলেন, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ১২০ দিনের মধ্যে অভিযোগ দাখিল করার আইন রয়েছে। কিন্তু তাঁরা সেটা না করে মামলাগুলো ঝুলিয়ে রেখেছেন। ছাত্রলীগের একটি মিছিল হয়েছে, তদন্ত কর্মকর্তা বলেছেন, সুমাইয়া তাহমিদ অর্থের জোগানদাতা। তিনি এটা কোথায় পেয়েছেন?

