| ৩ December ২০২৫ Wednesday ৫:৩২:৫৮ PM | |

কাউখালী (পিরোজপুর) সংবাদদাতাপিরোজপুরের কাউখালীতে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষা দিতে আসা শিক্ষার্থীদের হল থেকে টেনে-হিঁচড়ে বের করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে উপজেলা প্রশাসন ও শিক্ষা কর্মকর্তা এসে সেই স্কুলে পরীক্ষা নিয়েছেন। সাময়িক আতঙ্ক সৃষ্টি হয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে। পরে পরীক্ষা শুরুর আগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্বজল মোল্লা ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক দূর করার জন্য নিজ হাতে চকলেট বিতরণ করেন।
বুধবার (৩ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার ২৩ নম্বর কাউখালী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনাটি ঘটে।স্কুলের সহকারী শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক ফাউন্ডেশনের উপজেলা শাখার সভাপতি অসিম কুমার দাস হল থেকে শিক্ষার্থীদেকে টেনে হিঁচড়ে বের করে দেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমরা আমাদের তিন বাস্তবায়নের জন্য কর্মবিরতি পালন করছি। উপজেলা প্রশাসন ও শিক্ষা কর্মকর্তা এসে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নিচ্ছেন।
জানা যায়, উপজেলার ২৩ নম্বর কাউখালী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সকালে পরীক্ষা দেয়ার জন্য হলে এসে বসেন। ঠিক শুরুর ১৫ মিনিট আগে পরীক্ষা দিতে আসা শিক্ষার্থীদেরকে সহকারী শিক্ষকরা হল থেকে জোর করে টেনে-হিঁচড়ে বের করে দিয়ে গেটে তালা লাগিয়ে দেন।

এ সময় উপস্থিত অভিভাবকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এতে ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করে। এ খবর পেয়ে ১১টার দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্বজল মোল্লা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুদীপ্ত দেবনাথ, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মুনিবুর রহমান, সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী শিক্ষা অফিসার সবুজ কান্তি সিকদার, মো. রফিকুল ইসলাম বিদ্যালয়ে এসে অভিভাবকদের ডেকে শিক্ষার্থীদের হলে প্রবেশ করিয়ে পরীক্ষা শুরু করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অভিভাবকরা জানান, আমাদের সন্তানেরা সকালে পরীক্ষা দেয়ার জন্য স্কুলে এসে হলে বসেন। পরীক্ষা শুরুর আগে স্কুলের শিক্ষক মঞ্জুয়ারা, রাজলক্ষী কুন্ডু, ভারতী সাহা, লিটন কর, অসিম দাস, স্বপন বিশ্বাসসহ অন্যান্য শিক্ষকরা পরীক্ষার হলে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের টেনে-হিঁচড়ে বের করে দিয়ে স্কুলের গেটে তালা লাগিয়ে দেন।এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুব্রত রায় বলেন, সহকারী শিক্ষকরা পরীক্ষা বর্জন করায় উপজেলা প্রশাসন ও শিক্ষা অফিসার এসে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নিয়েছেন।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মুনিবুর রহমান বলেন, স্কুলের সহকারী শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদেরকে হল থেকে টেনে হিঁচড়ে বের করে দিয়েছেন এমন সংবাদ পেয়ে স্কুল আসি।
পরে বিষয়টি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি), ইউপি চেয়ারম্যান, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় প্রধান শিক্ষককে নিয়ে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেই।
সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক
| শেয়ার করতে ক্লিক করুন: | Tweet |


