বিদেশে পাঠানোর নামে প্রতারণার অভিযোগে ভুক্তভোগীরা বৃহস্পতিবার প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তারা অভিযোগ করেন, মিন্টু–বৃষ্টি দম্পতি ‘ইউরো ভিসা সেন্টার’ নামে প্রতিষ্ঠান চালিয়ে সারা দেশে ভুয়া ভিসার মাধ্যমে প্রায় ২৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর বৃষ্টি জাল কাগজপত্র তৈরি করে জামিনে বের হয়ে আবারও ভুক্তভোগীদের হুমকি দিচ্ছে এবং মিথ্যা মামলায় হয়রানি করছে।
লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নাঈমুল হক নাবিল। তিনি সহ একাধিক ভুক্তভোগী জানান, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপে পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে অর্থ নেওয়ার পর দম্পতি যশোর থেকে সরে নাটোরে নতুন অফিস খুলে বসে। পুলিশের তদন্তেও দম্পতির প্রতারণার প্রমাণ মিলেছে—কমপক্ষে ৪৪টি পরিবার সম্পূর্ণ নিঃস্ব, আর প্রকৃত ভুক্তভোগী সংখ্যা শতাধিক।
এর আগে যশোর ও নাটোরে বিভিন্ন ভুক্তভোগী মামলা ও অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ জানায়, দম্পতির একটি ভয়ংকর বাহিনী ছিল যারা মোটরসাইকেল বহর ব্যবহার করে মানুষকে ভয়ভীতি দেখাতো। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, ভুয়া ভিসা ও শ্রমিক ভিসার নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে।



