ভাঙাগড়ার গল্প
ব্যান্ডজগতে ভাঙা-গড়া স্বাভাবিক, তবে মেকানিক্সের জন্য সেটা ছিল কঠিন বাস্তবতা। ২০০৮ সালে প্রথম অ্যালবাম অপরাজেয়-র কাজ শুরুতেই ব্যান্ড ছাড়েন ইমরান আহমেদ। যোগ দেন জেহীন আহমেদ। পরের বছর ইকবাল আসিফ জুয়েল-এর মিক্সড অ্যালবাম রক ২০২-এ প্রকাশিত হয় মেকানিক্সের প্রথম গান ‘ধ্রুবসর’, যা এখনো ব্যান্ডটির সবচেয়ে জনপ্রিয় গানগুলোর একটি।
২০১০ সালে প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য রুশো ব্যান্ড ছাড়েন। তাঁর জায়গায় বেজিস্ট হিসেবে যোগ দেন নাদভী ওয়ালিদ। এই লাইনআপ নিয়েই ২০১১ সালে প্রকাশিত হয় মেকানিক্সের প্রথম অ্যালবাম ‘অপরাজেয়’ ডেডলাইন মিউজিকের ব্যানারে।
কঠিন সময়ের লড়াই
২০১৩ সাল মেকানিক্সের জন্য ছিল সবচেয়ে কঠিন সময়। ব্যক্তিগত কারণে ব্যান্ড ছাড়েন গিটারিস্ট তামজীদ, আর বিদেশে চলে যান নাদভী। ব্যান্ডের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। নতুন সদস্য হিসেবে যোগ দেন শাহেদ (গিটার) ও তানিম পাবেল (বেজ)। ২০১৪ সালে রক টেন মিক্সড অ্যালবামে প্রকাশিত হয় তাঁদের গান ‘এলিজি’, যা শ্রোতাদের মধ্যে প্রশংসা পায়।
কনসার্টে ব্যস্ত সময়েই অসুস্থ হয়ে পড়েন জেহীন আহমেদ। পাকস্থলীর জটিলতা ও শারীরিক দুর্বলতায় ভুগছিলেন তিনি। কিছুদিন গেস্ট মেম্বারদের নিয়ে পারফর্ম করে ব্যান্ড। পরে ২০১৬ সালে জেহীন কিছুটা সুস্থ হলে আবার মঞ্চে ফেরে মেকানিক্স। সেই সময় বেজে আবার যোগ দেন নাদভী, আর গিটারিস্ট শাহেদের জায়গায় আসেন সাফাত চৌধুরী। ত্রিদিব, জেহীন, রিয়াজ, সাফাত ও সালেক—এই পাঁচজন মিলে আবার নতুন করে যাত্রা শুরু করেন।


