লন্ডনে পড়ালেখা করতে গিয়ে রং বিশ্লেষণের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন কিমিয়া। এরপর লন্ডন কলেজ অব স্টাইল থেকে কালার অ্যানালাইসিস ও স্টাইলিং বিষয়ে কয়েকটি কোর্স করেন। জানতে পারেন যে মানুষের ত্বকের রং সাধারণত তিন ধরনের বা টোনের হয়ে থাকে। ওয়ার্ম টোন, কুল টোন ও নিউট্রাল টোন।
ওয়ার্ম টোনের অধিকারীদের ত্বকে হলুদ, কমলা কিংবা সবুজের মতো রংগুলো মানিয়ে যায়। নীল, বেগুনি বা গোলাপি রংগুলো মানায় কুল আন্ডারটোনের অধিকারীদের। ওয়ার্ম টোনের অধিকারীদের সাধারণত সোনালি গয়না এবং কুল টোনের অধিকারীদের রুপালি গয়না বেশি মানায়। তবে সবচেয়ে সৌভাগ্যবান হলো নিউট্রাল টোন বা নিরপেক্ষ ত্বকের রঙের অধিকারীরা। কারণ, সব ধরনের রঙের পোশাক ও গয়নাই তাঁদের মানিয়ে যায়।
কিমিয়া বলেন, ‘কেউ যখন আমাদের কাছে সেশন নিতে আসেন, প্রথমে আমরা তাঁদের সম্পর্কে কিছুটা জানতে চেষ্টা করি। তাঁদের ত্বক কীভাবে প্রতিক্রিয়া করে, জিনগতভাবে চুলের রং কেমন ইত্যাদি টুকটাক তথ্য নিয়ে থাকি। এরপর রং সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা দিয়ে থাকি। যাতে তাঁরা নিজেরাও কেনাকাটার সময় রং বুঝে পোশাক, মেকআপ ও অলংকার নির্বাচন করতে পারেন।’


