এই সম্মিলনে দৃকের প্রতিষ্ঠাতা ও আলোকচিত্রী শহিদুল আলম বলেন, যাঁরা এখন সরকারে রয়েছেন কেউ বুক পাতেননি, কেউ গুলি খাননি। যাঁরা বুক পেতেছেন, তাঁদের সম্মান নিশ্চিত না করলে ইতিহাসে বেইমান হিসেবে চিহ্নিত হতে হবে।
নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নাভিন মুরশিদ বলেন, শহীদ পরিবার বিচার চাইতে গিয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছে। আহত ব্যক্তিদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা এখনো হয়নি। এসব দুঃখজনক।
বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির সভাপ্রধান তাসলিমা আখতার বলেন, শ্রমজীবী মানুষেরা উপেক্ষিত হয়েছেন বারবার। নতুন বাংলাদেশে এই উপেক্ষা আর দেখতে চান না।
এই সম্মিলনে বক্তব্য দেন শ্রম সংস্কার কমিশনের প্রধান সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহম্মদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা উমামা ফাতেমা, শহীদ মোহাম্মদ ফারহানুল ইসলাম ভূঁইয়ার (ফারহান ফাইয়াজ) বাবা শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া প্রমুখ।

