ওই ঘটনার ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ওসির কক্ষে উপস্থিত সাংবাদিকেরা সুমনের পরিচয় জানতে চাইলে তিনি নিজেকে বিএনপির পার্টি অফিসের পিয়ন পরিচয় দিয়ে বলেন, ‘ওসি সাহেবের সঙ্গে পরিচিত হতে এসেছি।’ এরপর একজন আগের একটি কথোপকথনের সূত্র ধরে ‘আপনি ওসি সাহেবের কোন বিষয়টি তদন্ত করতে এসেছেন’ জিজ্ঞেস করেন। উত্তরে সুমনকে বলতে শোনা যায়, ‘দপ্তর স্যার বলছে ওসি নাকি ছাত্রলীগের, ছাত্রলীগের ওসি তাই আমাকে স্যার বলছে, তাই আসছি তার সাথে পরিচিত হতে।’
সেখানে উপস্থিত এক ব্যক্তি সুমনের দিকে তেড়ে গিয়ে ‘কে এসব শিখিয়ে দিয়েছে’ বলে জানতে চান। ভিডিওর এক পর্যায়ে সুমন নিজেকে বিএনপির কার্যালয়ের পিয়ন বলে পরিচয় দেন। অফিস থেকে কোনো কাজে নয়, তিনি পরিচিত হতে এসেছেন বলে জানান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের এক পর্যায়ে থানা থেকে সটকে পড়েন সুমন।
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর ওই দিনই যুবকের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানার ওসিকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আহ্বান জানান বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বলা হয়, আশুলিয়া থানার ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে রুহুল কবির রিজভীর নজরে আসে বিষয়টি। তাৎক্ষণিক তিনি বিএনপির দপ্তরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, সুমন নামের ব্যক্তিটি ভুয়া পরিচয়ে থানায় গিয়ে বিএনপির নাম নিয়ে এমন অপকর্ম করেছেন। সঙ্গে সঙ্গে তিনি আশুলিয়া থানার ওসিকে ফোন করে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা এবং ভুয়া পরিচয়ে পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে অসদাচরণ করার জন্য আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।


