হলদির হাওরে পরিত্যক্ত জমিতে চালকুমড়া চাষ
অক্টোবরের শেষ সপ্তাহের মধ্যে চালকুমড়া চাষের জন্য ২২০ কাঠা পরিত্যক্ত জমি প্রস্তুত করা হয়। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে সেখানে চারা রোপণ করা হয়। প্রতি কাঠা জমিতে ৯০টি করে গর্ত করা হয়। একেকটি গর্তে তিনটি করে চারা রোপণ করা হয়। চারাগুলো বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাঁশের খুঁটি পুঁতে প্লাস্টিকের সুতা দিয়ে মাচা তৈরি করা হয়। ডিসেম্বর মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে চালকুমড়া তুলে তা বিক্রি শুরু করা হয়। তিন থেকে চার দিন পরপর সেখান থেকে চালকুমড়া তোলা হয়। প্রথম দিকে প্রতিটি চালকুমড়া ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি করা হয়।
সরেজমিনে আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে গিয়ে দেখা যায়, বাঁশ ও প্লাস্টিকের তৈরি মাচার নিচে বাতাসে হালকা দুলছে ছোট–বড় চালকুমড়া। খেত থেকে কুমড়া তুলছেন চারজন কৃষক।
কুমড়া যাচ্ছে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায়
ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা সদর ও কলমাকান্দা উপজেলা থেকে ক্রেতারা এসে চালকুমড়া কিনে তা ঢাকা, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহসহ দেশে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে বিক্রি করছেন। এখন চাষিরা গড়ে প্রতিটি চাল কুমড়া ২৫ টাকা পাইকারি দামে বিক্রি করছেন।
চাষি রঙ্গু মিয়া বলেন, ‘ফলন খুব ভালা অইছে। অহন পর্যন্ত আমরার প্রায় আট লাখ টাকা খরচ অইছে। এই টাকার কুমড়া বেইচ্ছালাইছি। এপ্রিল মাস পর্যন্ত আরও দুই লাখ টাকার মতন খরচ অইব। সব মিইল্যা এই জমি থাইক্যা আমরা ২২-২৫ লাখ টাকার চালকুমড়া বিক্রি করতাম হারবাম।’

