সংবাদ সম্মেলনে র্যাব জানায়, হত্যাকাণ্ডের পরে বিষয়টি নিয়ে নিহত ব্যক্তির পরিবার ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে র্যাব প্রাথমিকভাবে জানতে পারে, আলমগীরের কাছে তাঁর বন্ধু মফিকুল ইসলাম দুই লাখ টাকা পেতেন। এ নিয়ে কয়েক দফা সালিসও বসে এলাকায়। কিন্তু বিদেশ থেকে এসেও টাকা দিতে না পারায় আলমগীর হোসেনের ওপরে ক্ষোভ জন্মেছিল মফিকুল ইসলামের। টাকা ফেরত না দেওয়ায় তাঁকে হত্যা করার পরিকল্পনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ঘটনার দিন বিকেলে আসামি রবিউলের দোকানে আলমগীর হোসেন আড্ডা দিতে যান। পরিকল্পনা অনুযায়ী এ সময় রবিউল তাঁকে মফিকুল ইসলামের টাকা পরিষদ করার জন্য নগদ টাকা ধার দেওয়ার কথা বলে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে সহড়াবাড়িয়া কামারখালী মাঠে যান। সেখানে আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন মফিকুল ইসলাম ও আলমগীর আলী। হাত বেঁধে তিনজন মিলে গলা কেটে হত্যা করে লাশ ফেলে পালিয়ে আসেন তাঁরা।


