শহিদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ছাত্র ইউনিয়নের অধিবেশনের সংবাদ সংগ্রহের জন্য তিনি কলেজের মিলনায়তনের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় রাস্তায় লোকজনকে ছোটাছুটি করতে দেখেন। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই হামলাকারীরা তাঁকেও মারধর শুরু করে। তিনি সংবাদকর্মী পরিচয় দেওয়ার পরও লাঠি দিয়ে মাথায় ও সারা শরীরে আঘাত করে। পরে তাঁর মোটরসাইকেলটিও হামলাকারীরা নিয়ে যায়।
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি জামালপুর জেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক মারুফ আহম্মেদ খান প্রথম আলোকে বলেন, ছাত্র ইউনিয়নের সম্মেলনটি খুব সুন্দরভাবে হচ্ছিল। হঠাৎ একদল দুর্বৃত্ত মিলনায়তনে ঢুকে হামলা চালায়। এ সময় তারা যাকে যেখানে পেয়েছে, এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। এতে সাংবাদিকসহ ছাত্র ইউনিয়নের প্রায় ২০ জন নেতা-কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। হামলাটি কারা করেছে, কোন উদ্দেশে করেছে, এখনো বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে এ বিষয়ে তাঁরা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

