চাঁদপুর-৩ আসন (চাঁদপুর সদর ও হাইমচর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ২০০৭সালে তাকে গুম করার বিষয়েটি বক্তব্যের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আট দশ জন লোক গুলশান ক্লাবের সামনে থেকে চোখ বেধে নিয়ে যায়৷ ঢাকা ব্যাংকে পে অর্ডারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকে ৪কোটি টাকা দিলাম। অন্তবর্তী মাধ্যমে যেন আমার সেই টাকাটা ফেরত পাওয়ার ব্যবস্থা করি৷ মাননীয় স্পীকার ২০০৭সালে ২৭শে জুলাই বেলা ৩ঘটিকায় আমাকে বিশেষ সংস্থার নামধারী ৮/১০জন লোক গুলশান ক্লাবের সামনে থেকে চোখ বেধে নিয়ে যায়। শারীরিকভাবে নির্যাতন চালায়। এমন একটি জায়গায় নিয়ে গিয়েছিল, যেখানে পরবর্তীতে শুনতে পেরেছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকেও সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
দীর্ঘ ৩মাস অতিবাহিত হওয়ার পর একটি লোক এসে আমাকে বললেন আপনাকে কিছু টাকা দিতে হবে বাংলাদেশ ব্যাংকের একাউন্টে। আমি বললাম আমি তো কারো সাথে যোগাযোগ করতে পারি না। কোথায় দিব টাকা। তারপরও তারা শারীরিক নির্যাতন চালায়। ১৩ ডিসেম্বর ২০০৭ সালে আমি আমার স্ত্রীর সাথে যোগাযোগ করলাম এবং ঢাকা ব্যাংকে ফে অর্ডারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকে ৪ কোটি টাকা দিলাম।
পরবর্তীতে আমার কাছে আরো টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয় এবং শারীরিক ভাবে নির্যাতন করা হয়। আমি মুছলেখা দিলাম, আমি বের হওয়ার পরে এ টাকাগুলো ক্রমান্বয়ে দেওয়া হবে। আমাকে ২জানুয়ারী ২০০৮সালে মুক্তি দেওয়া হয়। আমি মাননীয় অর্থমন্ত্রী এখানে উপস্থিত নাই, অন্তবর্তীর মাধ্যমে আমার সেই টাকাটা ফেরত পাওয়ার ব্যবস্থা করার জন্য আমি অনুরোধ করছি মাননীয় স্পীকার আপনার মাধ্যমে।
চাঁদপুর টাইমস ডেস্ক/ ২০ মে ২০২৬
