মন্ত্রী আরও বলেন, বিগত সরকার জ্বালানি খাতে জবাবদিহি করতে হবে না, এমন ইনডেমনিটি (দায়মুক্তি) আইন পাস করে। এ খাতকে আমদানিনির্ভর করে দিয়েছে। বিশাল অঙ্কের বকেয়া রেখে গেছে। বর্তমান সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, দেশীয় পরিত্যক্ত গ্যাসফিল্ডে যে ‘লেফটওভার’ (ফেলে রাখা) গ্যাস আছে, সেগুলো উত্তোলন করে অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করা হবে।
পরে রুমিন ফারহানা বলেন, গ্যাসের অভাবে আশুগঞ্জ সার কারখানাটি বন্ধ হয়ে গেছে। যদি সার কারখানায় গ্যাস দেওয়া হয় তাহলে তিনি এলাকার মানুষের কাছে মুখ দেখাতে পারবেন।
জবাবে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনে ক্ষতি হলেও দেশের কৃষির কথা চিন্তা করে আগামী ১ মে থেকে সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

