হিজলা-মুলাদী সড়কে খানাখন্দ-জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে তিন উপজেলার মানুষ

হিজলা-মুলাদী সড়কে খানাখন্দ-জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে তিন উপজেলার মানুষ

৯ July ২০২৬ Thursday ৩:৩৫:৫৩ PM

Print this E-mail this


মুলাদী(বরিশাল) প্রতিনিধি:

হিজলা-মুলাদী সড়কে খানাখন্দ-জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে তিন উপজেলার মানুষ

বরিশালের হিজলা-মুলাদী সড়কে অসংখ্য খানাখন্দ ও জলাবদ্ধতার কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে তিন উপজেলার হাজারো মানুষ। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের গর্তগুলো পানিতে তলিয়ে গিয়ে তৈরি হচ্ছে জলাবদ্ধতা। এতে মুলাদী, হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জের কাজীরহাট এলাকার সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী ও যানবাহন চালকদের ভোগান্তি বেড়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, মুলাদী পৌরসভার নয়াভাঙনী নদীর ওপর নির্মিত হিজলা-মুলাদী সংযোগ সেতুর পূর্বপাশের সড়কের পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির পর এসব গর্ত পানিতে তলিয়ে যায়। কাদা ও নোংরা পানির মধ্য দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে অটোরিকশা, ভ্যান, মোটরসাইকেল ও পণ্যবাহী যানবাহন।

স্থানীয়রা জানান, পানির কারণে গর্তের গভীরতা বোঝা যায় না। ফলে প্রায়ই যানবাহনের চাকা আটকে যাচ্ছে এবং ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে। একই সঙ্গে পথচারীদেরও কাদা-পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে স্থানীয় বন্দর এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

মুলাদী বন্দর বণিক সমিতির সভাপতি এফ এম মাইনুল ইসলাম বলেন, ‘হিজলা-মুলাদী সড়কটি বরিশাল জেলা সদরের সঙ্গে হিজলা, মেহেন্দীগঞ্জ ও কাজীরহাট এলাকার মানুষের যোগাযোগের প্রধান পথ। বিশেষ করে হিজলা-মুলাদী সংযোগ সেতুর পূর্বপাশের প্রায় ৫০০ মিটার অংশের অবস্থা খুবই খারাপ। পিচ-খোয়া উঠে গিয়ে এটি ডোবায় পরিণত হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ কারণে ব্যবসায়ী ও সাধারণ যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েছেন। সেতুর পূর্বপাড়ের দুটি মসজিদের মুসল্লি এবং মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদেরও কাদা-পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। দ্রুত সড়ক সংস্কার ও পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী ব্যবস্থা প্রয়োজন।’

স্থানীয় ব্যবসায়ী জিয়াউল আহসান বলেন, ‘একটি সড়কের জলাবদ্ধতার কারণে মুলাদী, হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জের হাজারো মানুষ দুর্ভোগে রয়েছে। দ্রুত সংস্কার না হলে বর্ষা শেষে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’

এ বিষয়ে মুলাদী পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. গোলাম সরওয়ার বলেন, ‘হিজলা-মুলাদী সংযোগ সেতুর পূর্বপাশের জলাবদ্ধতা ও খানাখন্দের কারণে মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি দুঃখজনক। ইতিমধ্যে কর্মকর্তাদের নিয়ে সড়কটি পরিদর্শন করা হয়েছে। দ্রুত সংস্কার করে চলাচল উপযোগী করা এবং স্থায়ী পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নিতে উপজেলা প্রকৌশলীর সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক


শেয়ার করতে ক্লিক করুন:

Explore More Districts