| ২৪ December ২০২৫ Wednesday ৪:১০:২৪ PM | |
নিজস্ব প্রতিনিধি:

আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা. জি. আ.) বলেছেন- হালাল রিজিক অন্বেষণ প্রতিটি মুসলমানের জন্য আবশ্যকীয় বিষয়। হালাল খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে ইবাদত কবুল হওয়ার পন্থা সুগম হয়। পক্ষান্তরে হারাম উপার্জনের দ্বারা আল্লাহর নৈকট্য ও রহমত থেকে বঞ্চিত হতে হয়। মহান আল্লাহ সুদকে হারাম করেছেন। এই সুদের গুনাহ ভয়াবহ ও মারাত্মক। রাসুলে পাক (সাঃ) সুদ সংশ্লিষ্ট চার শ্রেণীর ব্যক্তিদের উপরে অভিশাপের কথা উল্লেখ করেছেন যার মধ্যে সুদ দাতা, সুদ গ্রহীতা, সুদের সাক্ষী ও সুদ লিপিবদ্ধকারী অন্তর্ভুক্ত।
পীর ছাহেব কেবলা আরও বলেন- যখন কোন ব্যক্তি এমন কোন স্থানে পৌঁছায় যেখানে কোন হালাল জিনিস আহারের জন্য পাওয়া যায় না, তখন বিকল্প হিসেবে মৃত জন্তুকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করা শরীয়ত অনুমোদিত থাকলেও; সুদের সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তির উপার্জন কখনো বৈধ হিসেবে বিবেচিত হবে না। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো বর্তমানে একদল নামধারী আলেম ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য লেনদেনে হারাম সুদকে হালাল হিসেবে প্রচার করার জন্য বিভিন্ন ধরণের কৌশল অবলম্বন করছে। তাদের থেকে প্রত্যেক মুমিন-মুসলমানকে সাবধান হতে হবে। মনে রাখতে হবে, মানুষের আর্থিক সম্পদের নিরাপত্তার জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য লেনদেনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে কিন্তু সেটাকে বাস্তবায়ন করতে হবে প্রকৃত শরীয়তের বৈধতার আলোকে।
গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহ বরগুনা জেলা শাখার উদ্যোগে স্থানীয় টাউন হল ময়দানে আয়োজিত ঈছালে ছাওয়াব মাহফিলে প্রধান অতিথির আলোচনায় হযরত পীর ছাহেব কেবলা একথা বলেন।
বাদ আছর থেকে শুরু হয়ে গভীর রাত পর্যন্ত চলমান উক্ত মাহফিলে আরও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন- বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সিনিয়র নায়েবে আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু বকর মোহাম্মদ ছালেহ নেছারুল্লাহ, নায়েবে আমীর ও বরিশালের ঐতিহ্যবাহী জামে এবাদুল্লাহ মসজিদের খতিব আলহাজ্ব মাওলানা মির্জা নূরুর রহমান বেগ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা হেমায়েত বিন তৈয়্যেব, ছারছীনা দারুচ্ছুন্নাত জামেয়া-এ-নেছারীয়া দ্বীনিয়ার নায়েবে মুদীর মাওলানা মোঃ মামুনুল হক, হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোহেব্বুল্লাহ আল মাহমুদ প্রমূখ।
সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক
| শেয়ার করতে ক্লিক করুন: | Tweet |


