সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পিটারের চোখে পড়ার মতো উপস্থিতি রয়েছে। হাঙ্গেরির হাসপাতালগুলোয় টয়লেট পেপারের মতো নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় পণ্যের অপর্যাপ্ততা এবং রেলের মতো নানা অবকাঠামোর দুরবস্থা নিয়ে সামজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি ভোটারদের মনোযোগ কেড়েছেন। জনমত গড়ে তুলেছেন।
পিটার নিজেও বুদাপেস্টের রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। চলতি শতকের শুরুর দিকে তাঁর এক স্বজন দেশের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। পিটারের মা হাঙ্গেরির বিচার বিভাগে কর্মরত ছিলেন। পিটার ছাত্রজীবনে যোগ দেন ফিদেজ পার্টিতে। দলের উদীয়মান তারকা রাজনীতিক ধরা হতো তাঁকে। তবে অরবানের সরকারের নীতির সঙ্গে মানিয়ে চলতে না পেরে দল ছেড়ে দেন।
পোল্যান্ডের ওয়ারশভিত্তিক সেন্টার ফর ইস্টার্ন স্টাডিজের হাঙ্গেরি–বিষয়ক নীতিসংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ ইলোরা গিজিনস্কা বলেন, হাঙ্গেরির রাজনৈতিক দলগুলো অনেকটা রাজধানীকেন্দ্রিক হয়ে পড়েছিল। বিশেষ করে বিগত বছরগুলোয়। ছোট গ্রামগুলোর দিকে তাদের নজর খুব একটা ছিল না। এ শূন্যতাকে কাজে লাগিয়ে প্রথমবারের মতো বাজিমাত করেছেন পিটার।
জানা গেছে, এবারের নির্বাচনের প্রাক্কালে ভিক্টর অরবান যখন রাজধানীতে জেডি ভ্যান্সকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনী প্রচার করছিলেন, সমাবেশ করছিলেন, ছবি তুলছিলেন, ঠিক তখনো পিটার ছিলেন গ্রামের পথে, প্রান্তিক ভোটারদের কাছে। বিশেষ করে তরুণ ও নতুন ভোটারদের মন জয়ে ছুটছিলেন তিনি।
