আব্দুল কাদের: আমরা গণরুম-গেস্টরুম ফিরে আসার শঙ্কাসহ শিক্ষার্থীদের উদ্বেগের জায়গাগুলো ধরে ধরে কাজ করছি। ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতির কাঠামো কেমন হবে, শিক্ষক রাজনীতির ধরন কেমন হবে—এ বিষয়টা নিয়ে কাজ করার কথা আমরা বলছি। আমরা স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার জায়গাটা সমুন্নত রাখতে চাই।
গবেষণাভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় বিনির্মাণে কাজ করার কথা আমরা বলছি। এ ক্ষেত্রে প্রধান প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে আবাসিক হলে একটা সিটের জন্য আমাদের জিম্মি থাকতে হয়। এর সমাধানে আমরা ‘ওয়ান স্টুডেন্ট ওয়ান সিট’-এর কথা বলছি। শিক্ষার্থীদের খাবারের মানোন্নয়নে একটা ব্যবস্থাপনা সেল গঠনের কথা বলছি, যাতে শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যকর খাবার পান। শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানে ‘ওয়ান কার্ড অল সার্ভিস’-এর কথা বলেছি। প্রশাসনিক হয়রানি ও হেনস্তাকে আমরা কবরে পাঠাতে চাই।
এক সপ্তাহ ধরে আমাদের একটা টিম মাঠপর্যায়ে কাজ করেছে। তাঁরা ছাত্রী হল, বিজ্ঞান অনুষদ, হলপাড়া ও অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের কাছে গিয়ে সমস্যাগুলো বোঝার চেষ্টা করেছেন। সেখান থেকে পাওয়া দাবিগুলো আমাদের ইশতেহারে থাকছে। ভোটের কথা যদি বলি, ছাত্রীদের পাঁচ হল, জগন্নাথ হল ও অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা এবারের ভোটে মূল ফ্যাক্টর (নিয়ামক) হিসেবে কাজ করবে।

