| ১২ January ২০২৬ Monday ১০:২৩:৩৭ PM | |
আমতলী ((বরগুনা) প্রতিনিধি:

বরগুনার আমতলী উপজেলার উত্তর তক্তাবুনিয়া গ্রামের জহিরুল সিকদার হত্যার ঘটনায় পরিকল্পনাকারী ফারুক হোসেন জাকিরকে আসামি না করতে পুলিশ কর্মকর্তা হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন মামলার বাদী নিহতের স্ত্রী নুপুর বেগম। এছাড়া পাঁচ লাখ টাকায় রফাদফার প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠে অভিযুক্ত পরিদর্শক (তদন্ত) সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে ফারুক হোসেন জাকিরকে আসামি ও পুলিশ কর্মকর্তার শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে, উপজেলার উত্তর তক্তাবুনিয়া গ্রামের ফরিদ সিকদারের সঙ্গে ভাই মুনসুর সিকদারের ১০ শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। শনিবার বেলা ১১টার দিকে ফরিদ সিকদার ওই জমি চাষাবাদ করতে যান। খবর পেয়ে মুনসুর সিকদার একটি ছুরি নিয়ে তাকে ধাওয়া করে। তার চিৎকারে চাচাতো ভাই জহিরুল সিকদার ছুটে আসেন। এ সময় মুনসুর সিকদারকে নিবৃত্ত করতে চেষ্টা করেন তিনি। একপর্যায়ে মুনসুর তার পেটে ছুরিকাঘাত করে। এতে তার মৃত্যু হয়।
নুপুর বেগমের দাবি, এ ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী মুনসুর সিকদারের ছেলে ফারুক হোসেন জাকির। তার পরিকল্পনায় মুনসুর সিকদার শনিবার জহিরুল সিকদারকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে।
নুপুর অভিযোগ করেন, এ ঘটনায় শনিবার বিকালে আমতলী থানায় মামলা করতে যান। ওই সময় পরিদর্শক (তদন্ত) সাইদুর রহমান বাদীকে ফারুক হোসেন জাকিরকে আসামি করতে বারণ করেন এবং পাঁচ লাখ টাকায় রফাদফার প্রস্তাব দেন। এতে রাজি না হওয়ায় বাদীর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।
এদিকে জাকির হোসেন ফারুককে আসামি এবং ওসি (তদন্তের) খারাপ আচরণের শাস্তির দাবিতে সোমবার দুপুরে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয়রা। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- হাবিবা, পপি বেগম, নুরুন্নাহার, আম্বিয়া বেগম, আমিরুল খাঁন ও মোস্তফা গাজী প্রমুখ।
আমতলী থানার ওসি (তদন্ত) মো. সাইদুল ইসলাম সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে তাকেও আসামি করা হবে।
বরগুনা পুলিশ সুপার মো. কুদরত-ই-খুদা বলেন, খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক
| শেয়ার করতে ক্লিক করুন: | Tweet |

