দূরত্ব ও সীমিত আসনের কারণে জাহাজের ভাড়া বেড়েছে। কিন্তু টিকিট সহজলভ্য হয়নি। মধ্যস্বত্বভোগী বা টিকিট সিন্ডিকেটের সৃষ্টি হয়েছে।
এবার সবচেয়ে বাজে যে ব্যবস্থা হয়েছে সেটা হলো, ট্যুর অপারেটর, সাংবাদিক, বিনিয়োগকারী ও কক্সবাজারের স্থানীয় লোকজনের জন্য ট্রাভেল পাস বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এটা অযৌক্তিক। কারণ, পর্যটকদের জন্য ট্রাভেল পাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
যেসব ট্যুর গাইড বা হোস্ট অথবা ট্যুর অপারেটর কখনো ট্যুরিস্ট হিসেবে যান না, তাঁদের জন্য বিশেষ নিবন্ধন করে একটা একটা পাস দিলে আর ঝামেলা হয় না। আর যাঁরা দ্বীপে বিনিয়োগ করছেন, নানা প্রয়োজনেই তাঁদের নিয়মিত দ্বীপে ঢুকতে হয়। কিন্তু তাঁদেরও ট্রাভেল পাস নিয়ে জাহাজে উঠতে দেওয়া ব্যবস্থা এবং সাংবাদিক ও অন্য যেসব ব্যক্তি ভ্রমণ ছাড়া প্রতিবেদন বা গবেষণার জন্য যান, তাঁদেরও ট্রাভেল পাস করে পর্যটক হিসেবে গণ্য করা যুক্তিসংগত নয়।
কক্সবাজার জেলার অনেক মানুষের সেন্ট মার্টিনে আত্মীয় আছে বা ব্যবসায়িক অথবা ব্যক্তিগত অনেকের সঙ্গে সম্পর্ক থাকে, তাঁরা প্রয়োজনে সেন্ট মার্টিনে যেতে চাইলে তাঁদের ট্রাভেল পাসের আওতায় ফেলে দেওয়া হয়। অর্থাৎ ট্যুরিস্ট হিসেবে দেখা হয়। এটা স্থানীয় মানুষের অধিকার অস্বীকার করার পর্যায়ে পড়ে। এটা নিয়ে স্থানীয় মানুষের মধ্যে অনেক ক্ষোভ দেখা গেছে। কিন্তু প্রশাসনের একগুঁয়ে আচরণের কারণে কক্সবাজারের মানুষ পর্যটক না হওয়ার পরও পর্যটক হিসেবে সেন্ট মার্টিনে যাতায়াত করতে বাধ্য হয়েছেন।


