দু্ই ধরনের গ্যাসের সংকট একসঙ্গে শুরু হওয়ায় অনেক জায়গায় মানুষ রান্না করতে পারছেন না। যাঁরা সচ্ছল, তাঁরা বৈদ্যুতিক চুলা কিনে নিচ্ছেন। কেউ কেউ রাইস কুকারে ভাত রান্না করে তরকারি রেস্তোরাঁ থেকে কিনে আনছেন। তবে বিপাকে পড়েছেন স্বল্প আয়ের মানুষ। তাঁদের পক্ষে বৈদ্যুতিক চুলা অথবা রাইস কুকার কেনা কঠিন। তাঁদের কেউ কেউ আপাতত চুলা তৈরি করে রান্না করছেন, যেখানে জ্বালানি হিসেবে কাঠ ব্যবহার করা হচ্ছে।
তিতাসের গ্যাসের চাপ কম থাকা এলাকার মধ্যে রয়েছে মোহাম্মদপুর, মিরপুর, জিগাতলা, খিলগাঁও, বাড্ডা, নাখালপাড়া ইত্যাদি। রাজধানীর দোলাইরপাড়ে এক নারী গতকাল শুক্রবার নিজের বাসার সামনে চুলায় কাঠ পুড়িয়ে রান্না করছিলেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, কোনোরকমে চুলা ও কাঠ জোগাড় করে রান্না করছেন। লাইনে গ্যাস নেই। সিলিন্ডারও পাওয়া যাচ্ছে না।
তিতাসের হিসাবে, ঢাকায় বাসাবাড়িতে দিনে ১৬ থেকে সাড়ে ১৬ কোটি ঘনফুট গ্যাস দরকার। চাহিদার সমান গ্যাস সাধারণত সরবরাহ করা হয়। তবে অবৈধ সংযোগে গ্যাসের একটি বড় অংশ চলে যায়। এ কারণে কিছু এলাকায় চাপ কম থাকে। উল্লেখ্য, গ্যাস-সংকটের কারণে ২০০৯ সালের ২১ এপ্রিল থেকে সারা দেশে নতুন আবাসিক গ্যাস-সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। ঢাকায় নতুন যত ভবন হয়েছে, সেখানে এলপিজি ব্যবহার করা হয়। তবে অবৈধভাবে ঢাকা ও আশপাশে অনেক সংযোগ নেওয়া হয়েছে।


