চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় চাঁদরাতে মুখোশধারী দুর্বৃত্তের হামলায় আহত যুবক ঘটনার ১৪ ঘন্টা পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
গতকাল শুক্রবার (২০ মার্চ) দিবাগত রাত আনুমানিক ১ টার সময় উপজেলার সোনাকানিয়া ইউনিয়নের বোর্ড অফিসের দক্ষিণ পাশ্বের সড়কের উপর আহতের রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে পাওয়া যায়।
নিহত ওই যুবকের নাম মিজানুর রহমান (২৬)। তিনি উপজেলার সোনাকানিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের হাতিয়ারকুল এলাকার মৃত মাওলানা আবদুর রহিমের ছেলে।
নিহত মিজানের চাচাত ভাই মাস্টার মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম জানান, মিজান চট্টগ্রাম শহরে ফুটপাতে ব্যাবসা করতো।তার দুইটি সন্তান আছে। শুক্রবার রাতে মিজান লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ এলাকায় ঈদ শপিং করার জন্য তার স্ত্রী ও দুই বাচ্চাসহ যায়।
ঈদ শপিং করার পর সিএনজি যোগে বাড়ি ফেরার পথে সোনাকানিয়া ইউনিয়নের গারাংগিয়া গ্রামের হাতিয়ারপুলের পর আসলে রাস্তা হতে মুখোশ পরিহিত একদল লোক মিজানকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। এরপর রাত আনুমানিক ১ টার সময় খবর বাড়িতে খবর আসে যে ইউনিয়নের বোর্ড অফিসের দক্ষিণ পাশের রাস্তার মিজানের রক্তাক্ত দেহ পড়ে আছে।
উক্ত খবর পেয়ে বাড়ির লোকজন ও এলাকাবাসীর সহায়তায় তাকে আহত অবস্থায় ওই স্থান থেকে উদ্ধার করে প্রথমে সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করেন। চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ (২১ মার্চ) শনিবার দুপুর ২ টায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি।
উপজেলার সোনাকানিয়া ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ মহিউদ্দীন দুর্বৃত্তের হামলায় মিজান নামের এক যুবক নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
যোগাযোগ করা হলে সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. আরিফুল ইসলাম ছিদ্দিকী জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি পূর্ব বিরোধের জের ধরে উক্ত হত্যাকান্ড হতে পারে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। তার সাথে গাড়িতে থাকা তার স্ত্রী হত্যাকান্ডে জড়িত দুই জনকে চিনতে পেরেছেন বলে জানিয়েছেন।
নিহত মিজান চট্টগ্রাম শহরে হকার ব্যাবসা করতো বলে জানতে পেরেছি।


