নৈতিকতা ও বাছাইপ্রক্রিয়া
নীতিমালায় তিনটি পদের ক্ষেত্রেই প্রার্থীদের জন্য কঠোর নৈতিক ও আইনগত শর্ত আরোপ করা হয়েছে। কোনো প্রার্থী ঋণখেলাপি হলে, আর্থিক অনিয়মে জড়িত থাকলে, নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে অথবা প্রতারণা ও জালিয়াতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলে নিয়োগের অযোগ্য বিবেচিত হবেন।
পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি নিরাপত্তা, সাইবার ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ বিষয়ে পর্যাপ্ত ধারণা থাকতে হবে।
শীর্ষ দুটি পদে নিয়োগের জন্য আলাদা বাছাই কমিটি গঠন করা হবে। এমডি ও ডিএমডি নিয়োগে অর্থমন্ত্রী বা অর্থ উপদেষ্টার নেতৃত্বে আট সদস্যের একটি কমিটি থাকবে। কমিটির অন্য সদস্যরা হবেন প্রধানমন্ত্রী বা প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, জনপ্রশাসনসচিব, অর্থসচিব, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের শরিয়াহ অ্যাডভাইজরি বোর্ডের চেয়ারম্যান। সদস্যসচিব করা হবে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের একজন অতিরিক্ত সচিবকে।
জিএম পদে পদোন্নতির জন্য ছয় সদস্যের একটি আলাদা কমিটি থাকবে, যার নেতৃত্বে থাকবেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর। অন্য সদস্যরা হবেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব, অর্থ বিভাগের একজন যুগ্ম সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন নির্বাহী পরিচালক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের শরিয়াহ অ্যাডভাইজরি বোর্ডের একজন প্রতিনিধি। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের একজন অতিরিক্ত সচিব বা যুগ্ম সচিব থাকবেন সদস্যসচিব।

