দীর্ঘ ৩৫ বছরের রাজনৈতিক ইতিহাসে যশোরে এবারের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর উত্থান বিএনপিকে ভাবিয়ে তুলেছে। ১৯৯১ সালের পর যে জামায়াত ‘ভোট কাটার’ দল বা জোটের শরিক হিসেবে ছিল, এবারের নির্বাচনে সেই দলটিই যশোরে প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের সমান্তরালে বড় দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ভোটের রাজনীতিতে যশোরের ছয়টি আসনের পাঁচটিতেই বিজয়ী হয়েছে দলটি।
বিশেষ করে যশোর-১ (শার্শা) আসনের ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, জামায়াতের প্রার্থী আজীজুর রহমান প্রায় ২৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিএনপির প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটনকে পরাজিত করেছেন। দীর্ঘদিনের জোট ভেঙে এককভাবে নির্বাচন করা বিএনপি ও জামায়াতের জন্য আশীর্বাদ ও চ্যালেঞ্জ—উভয়ই বয়ে এনেছে।

