শাওয়ালের ছয় রোজাকে ‘ভিত্তিহীন‘ বলা কতটা যৌক্তিক

শাওয়ালের ছয় রোজাকে ‘ভিত্তিহীন‘ বলা কতটা যৌক্তিক

ইবনে কাইকালদি তাঁর বইয়ে ইবনুদ দিহিয়ার প্রতিটি যুক্তির যথার্থ জবাব দিয়েছেন:

১. সহিহ মুসলিমের দলিল: ইবনে কাইকালদি বলেন, এই হাদিসটি ইমাম মুসলিম তাঁর সহিহ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। উম্মতের আলেমদের ঐকমত্য হলো, বুখারি ও মুসলিম শরিফের হাদিসগুলো সহিহ। সুতরাং একে দুর্বল বলার সুযোগ নেই।

২. একক বর্ণনাকারী নন: ইবনুদ দিহিয়ার দাবি ছিল হাদিসটি কেবল সাআদ বিন সাঈদ বর্ণনা করেছেন।

কিন্তু ইবনে কাইকালদি দেখিয়েছেন যে, সাআদ ছাড়াও তাঁর ভাই ইয়াহইয়া বিন সাঈদ এবং সাফওয়ান বিন সুলাইমানও এই হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। ইমাম আবু দাউদ ও নাসায়ি তাঁদের সূত্র থেকে হাদিসটি উদ্ধৃত করেছেন।

৩. ইমাম মালিকের অবস্থান: ইমাম মালিক (র.) তাঁর মুয়াত্তা গ্রন্থে এই হাদিসের ওপর আমল করার ব্যাপারে ভিন্নমত পোষণ করলেও হাদিসটির সূত্রকে তিনি সরাসরি অস্বীকার করেন নি বা মিথ্যা বলেননি।

মূলত মদিনার মানুষের নিরবচ্ছিন্ন আমল না থাকায় তিনি এটি বাধ্যতামূলক মনে করতেন না। কিন্তু অন্য নির্ভরযোগ্য সূত্রে হাদিসটি প্রমাণিত।

৪. বর্ণনাকারীর বিশ্বস্ততা: ইবনুদ দিহিয়া জনৈক বর্ণনাকারীকে ‘অত্যন্ত দুর্বল’ বা ‘পরিত্যক্ত’ বলেছিলেন। ইবনে কাইকালদি প্রমাণ করেছেন যে, সংশ্লিষ্ট বর্ণনাকারী মোটেও পরিত্যক্ত নন, বরং ইমাম মুসলিম তাঁর ওপর নির্ভর করেছেন।

Explore More Districts