ন
Kazi Hafizur Rahaman
নিজস্ব প্রতিবেদক
·
১ মিনিটের পড়া
·
৫৯ বার পড়া হয়েছে
নড়াইলকণ্ঠ : নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক বীরমুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেছেন মুক্তিযোদ্ধাদের একাংশ।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমপ্লেক্সের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের পাশাপাশি বিএনপি নেতাকর্মী ও বাজারের ব্যবসায়ীরা অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও মকবুল হোসেন আহ্বায়ক পদে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। দায়িত্বে থাকাকালে তিনি বিভিন্ন সিদ্ধান্ত এককভাবে গ্রহণ করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা।
আয়োজকদের দাবি, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমপ্লেক্সের সামনে পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধাদের বসার জন্য নির্ধারিত একটি ঘরও ভাড়া দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সংশ্লিষ্টদের মতামত না নিয়ে ভবনের পেছনে ১৩টি দোকানঘর নির্মাণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। বক্তাদের দাবি, এসব স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে নদীর জমি দখলের ঘটনাও ঘটেছে।
মানববন্ধনে আরও অভিযোগ করা হয়, দোকানঘর ভাড়া দেওয়ার কথা বলে কয়েকজনের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা অগ্রিম নেওয়া হলেও সেই অর্থ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠানের হিসাবে জমা না রেখে ব্যক্তিগত হিসাবে রাখা হয়েছে। যাদের কাছ থেকে দোকান দেওয়ার কথা বলে অর্থ নেওয়া হয়েছিল, তাদের কাছেও পরবর্তীতে নতুন করে অর্থ দাবি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বক্তারা।
এ ছাড়া মকবুল হোসেন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আয়-ব্যয়ের হিসাব নিয়মিতভাবে প্রকাশ বা উপস্থাপন করেননি বলেও অভিযোগ করা হয়।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া মুক্তিযোদ্ধারা এসব অভিযোগের তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি মকবুল হোসেনকে আহ্বায়ক পদ থেকে অপসারণের দাবি জানান। একই সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সম্পদ ও অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা।
তবে মানববন্ধনে উত্থাপিত অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত বীরমুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন। তিনি বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে নিজের অবস্থানের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।
মকবুল হোসেন বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে কাজ করতেই তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোকে তিনি ষড়যন্ত্রমূলক বলে দাবি করেন।
অভিযোগগুলোর বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে বলে জানিয়েছেন মানববন্ধনে অংশ নেওয়া মুক্তিযোদ্ধারা।


