পণ্য পরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরাবে
স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির সুফল সম্পর্কে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমোডর মো. শফিউল বারী প্রথম আলোকে বলেন, লাইটার জাহাজ চলাচল ও বরাদ্দে যে বিশৃঙ্খলা রয়েছে, নতুন পদ্ধতি চালু হলে তা দূর হবে। এই খাতে স্বচ্ছতা আসবে। জাহাজমালিক ও আমদানিকারক—উভয় পক্ষই সুবিধা পাবেন।
শফিউল বারী বলেন, বর্তমানে কোন জাহাজে কী পণ্য আছে বা কোথায় অবস্থান করছে, তা জানার সুযোগ সীমিত। নতুন ব্যবস্থায় কোন রুটে কতটি জাহাজ চলছে, কী পণ্য বহন করছে এবং কোথায় আছে—এসব তথ্য পাওয়া যাবে। কোনো আমদানিকারক জাহাজকে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার করলে সেটিও নজরে আসবে। এতে অধিদপ্তরের পক্ষে দ্রুত তদারকি সম্ভব হবে।
বিডব্লিউটিসিসির মুখপাত্র পারভেজ আহমেদ বলেন, লাইটার জাহাজ ব্যবস্থাপনার এই সফটওয়্যার অনেক মালিক আগে ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করতেন। এখন সব জাহাজমালিককে বাধ্যতামূলকভাবে এই সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে।
জাহাজী লিমিটেডের উদ্যোক্তা কাজল আবদুল্লাহ বলেন, নৌ খাতের এই প্রযুক্তি নিয়ে সাড়ে তিন বছর কাজ করার পর পরীক্ষামূলকভাবে সফল হওয়ায় এটি চালু করা হয়েছে। শিগগিরই এর সুফল পাবে এই খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো।
জাহাজী লিমিটেডের চিফ অপারেটিং অফিসার অভিনন্দন জোতদার বলেন, লাইটার জাহাজ ব্যবস্থাপনার পুরো প্রক্রিয়া এখন স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার আওতায় আসছে। এতে পক্ষপাত বা প্রভাব খাটানোর সুযোগ থাকবে না।

