কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জায়েদ মো. নাজমুন নুর প্রথম আলোকে বলেন, থানায় আনার সময় শিশুটির চোখ ও নাক দিয়ে পানি ঝরছিল। বৃষ্টিতে ভিজে শরীর কাঁপছিল। সঙ্গে সঙ্গে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। ভেজা কাপড় বদলে শুকনা পোশাকও পরিয়ে দেওয়া হয়।
ওসি বলেন, শিশুটিকে জিজ্ঞাসা করলে সে শুধু মা–বাবার নাম বলতে পারছিল। কিন্তু বাসার ঠিকানা কিংবা আশপাশের কোনো পরিচিত স্থানের নাম বলতে পারেনি। বারবার একটাই অনুরোধ করছিল, ‘আমার বাবাকে খুঁজে দিন।’
শিশুটির পরিচয় জানতে তার ছবি তুলে নগরের বিভিন্ন থানায় পাঠানো হয়। কোথাও নিখোঁজ-সংক্রান্ত সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে কি না, সেটিও খোঁজ নেওয়া হয়। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শিশুটির ছবি প্রকাশ করা হয়। রাত পেরিয়ে পরদিন সকাল হলেও পরিবারের কেউ থানায় আসেননি।

