গতকাল রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিডার কার্যালয়ে পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক হয়। বৈঠকে উপস্থিত একাধিক ব্যবসায়ী নেতা প্রথম আলোকে জানান, মার্কিন সরকারের নতুন পাল্টা শুল্ক আরোপ নিয়ে খুব দ্রুত দেশের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে কথা বলার জন্য বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেন প্রধান উপদেষ্টা।
এ বৈঠকে বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি রুবানা হক, লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী, বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি শামীম এহসান প্রমুখ অংশ নেন।
এ ছাড়া ট্যারিফ কমিশনের সাবেক সদস্য মোস্তফা আবিদ খান, পিআরআইয়ের চেয়ারম্যান জায়েদী সাত্তার, সানেমের নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এ বৈঠকে উঠে আসা সুপারিশ প্রধান উপদেষ্টার সামনে উপস্থাপন করা হয় গতকাল। সুপারিশ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের কাছে দ্রুত আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়ে কিছু সময় চাওয়া যেতে পারে। যেমন তিন মাস সময় চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া।
জানা গেছে, বৈঠকে তাঁরা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি বাজার প্রায় ৮০০ কোটি ডলারের। ফলে পাল্টা শুল্ক কার্যকর হলে বাংলাদেশ বেশ চাপে পড়বে। এ জন্য দ্রুত করণীয় ঠিক করতে হবে। কারণ, ইতিমধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলো বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। বিষয়টিকে অবশ্যই গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।
সূত্রগুলো জানায়, বিডার বৈঠকে উঠে আসা সুপারিশ অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে যমুনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে কেউ কেউ আপত্তি তুলেছেন।
