
ওয়াশিংটন, ১১ জানুয়ারি – যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যের ক্লে কাউন্টিতে বন্দুকধারীর গুলিতে ছয়জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে সাত বছর বয়সী এক শিশু রয়েছে। এ ঘটনায় দারিকা মুর (২৪) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, শুক্রবার রাতে সংঘটিত এই হত্যাকাণ্ডের পর মুরের বিরুদ্ধে প্রথম ডিগ্রির হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি আরও কঠোর করে ‘ক্যাপিটাল মার্ডার’-এ উন্নীত করা হতে পারে। মানসিকভাবে সক্ষম প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড চাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
শনিবার (৯ জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে ক্লে কাউন্টির শেরিফ এডি স্কট জানান, অভিযুক্ত মুর তার পরিবারের একাধিক সদস্য এবং স্থানীয় একটি চার্চের যাজককে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মিসিসিপির ১৬তম সার্কিট কোর্টের জেলা অ্যাটর্নি স্কট কোলম ঘটনাটিকে ‘অত্যন্ত ভয়াবহ’ বলে মন্তব্য করেন।
শেরিফের ভাষ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যায় ডেভিড হিল রোডের একটি বাড়িতে মুর প্রথমে তার বাবা গ্লেন মুর (৬৭), ভাই কুইন্টন মুর (৩৩) এবং চাচা উইলি গুইন্স (৫৫)–কে গুলি করে হত্যা করেন। পরে ব্লেক রোডের একটি বাড়িতে গিয়ে তিনি এক শিশুকে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করেন এবং তাকে গুলি করে হত্যা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এরপর মুর তার নিহত ভাইয়ের মালিকানাধীন একটি ট্রাক নিয়ে সাইলোয়াম-গ্রিফিথ রোডের একটি বাড়িতে যান, যেখানে ব্যারি ব্র্যাডলি ও স্যামুয়েল ব্র্যাডলির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতদের একজন স্থানীয় একটি গির্জার যাজক ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রাত প্রায় ১২টার দিকে পাইনের গ্রোভ রোড ও জো মায়ার্স রোডের সংযোগস্থল থেকে মুরকে আটক করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পেছনের উদ্দেশ্য এখনো স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
মরদেহগুলোর ময়নাতদন্তের জন্য মিসিসিপি ক্রাইম ল্যাবে পাঠানো হবে। অভিযুক্ত দারিকা মুরের সোমবার আদালতে প্রথম হাজিরা দেওয়ার কথা রয়েছে।
এনএন/ ১১ জানুয়ারি ২০২৬




