যশোর সদর উপজেলা ও শহরের বিভিন্ন স্থানে পূর্বশত্রুতা, পাওনা টাকা, ভাড়ার টাকা এবং ব্যক্তিগত বিরোধকে কেন্দ্র করে পৃথক চারটি ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এর মধ্যে সদর উপজেলার লেবুতলা ইউনিয়নের আন্দোলপোতা পশ্চিমপাড়া এলাকায় পূর্বশত্রুতার জেরে হামলার শিকার হন জুলফিকার আলী (৫০)। তিনি কাঠামারা গ্রামের মৃত হায়দার আলী বিশ্বাসের ছেলে। বুধবার (২৪ জুন) রাত ৯টার দিকে আন্দোলপোতা পশ্চিমপাড়া মসজিদের সামনে একা অবস্থায় থাকাকালে একই গ্রামের কয়েকজন ব্যক্তি তাকে দা, লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
অপরদিকে, যশোর শহরের চাঁচড়া কলোনি এলাকায় পূর্ব বিরোধের জেরে বিউটি বেগম (৪৫) নামে এক নারী হামলার শিকার হন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাত সাড়ে ১২টার দিকে সংঘটিত এ ঘটনায় তার মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে, যশোর শহরের নাজির শংকরপুর মাঠপাড়া চাতালের মোড়ে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে হৃদয় হোসেন (২৬) নামে এক যুবককে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, ৭০ হাজার টাকা পাওনাকে কেন্দ্র করে বিরোধের একপর্যায়ে প্রতিপক্ষ ধারালো অস্ত্র দিয়ে হৃদয়ের মাথা ও পায়ে আঘাত করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
একই দিন দুপুরে চাঁচড়া চেকপোস্ট এলাকায় ভাড়ার টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে ইজিবাইক চালক আলম (৫৫) মারধরের শিকার হন। মনিরামপুর উপজেলার রোহিতা গ্রামের বাসিন্দা আলমকে কিল-ঘুষি মেরে আহত করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে পথচারী ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
অন্যদিকে,শহরের আরএন রোড এলাকায় সহকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত হন শামীম (৩০)। তিনি লক্ষীপুর সদর উপজেলার চাঁদখালী মাঝিবাড়ি এলাকার বাসিন্দা এবং যশোরের মাইকপট্টিস্থ একটি হোটেলের কর্মচারী। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে আলামিন বস্ত্রালয়ের সামনে একই প্রতিষ্ঠানের আরেক কর্মচারীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডার জেরে মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে শামীম মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হন। পরে তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আহত সবাই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।


