বামুন্দী বাজারের চা–দোকানি সামিম হোসেন বলেন, মারধরের পর সকাল ৯টা পর্যন্ত ওই ব্যক্তি জীবিত ছিলেন। কিন্তু স্থানীয় কেউ তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া বা উদ্ধারের চেষ্টা করেনি। সময়মতো হাসপাতালে নিয়ে গেলে হয়তো তাঁর প্রাণ বাঁচানো যেত।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার দাস প্রথম আলোকে বলেন, চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ বিষয়ে থানায় একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।
